স্নেক প্ল্যান্ট
snake-plant

snake-plant

স্নেক প্ল্যান্ট

উদ্ভিদজগতে স্নেক প্ল্যান্ট Asparagacea পরিবারের অন্তর্ভুক্ত বহুবর্ষজীবী গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Dracaena trifasciata

হুরহুরে ফুল

বর্ণনাঃ

এটি একটি চিরসবুজ বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। স্নেক প্ল্যান্ট গাছ ৮ ইঞ্চি থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়। পাতাগুলো সাধারণত লম্বাচওড়া হয়। রঙ গাঢ় সবুজ। তার ওপর থাকে হালকা সবুজ, সাদাটে, ধূসর রঙের নকশা। গাছের গোড়া থেকে স্নেক প্ল্যান্টের পাতাগুলো অনেকটা খাড়া ভাবে বেড়ে ওঠে। সামান্য যত্ন পেলেই গাছ বড়ো হয় ও পাতার গোছা ঘন হয়ে ওঠে। কয়েক জাতের স্নেক প্ল্যান্ট গাছে পাতার চারপাশে হলদেটে বা রুপালি রঙের বর্ডার দেখতে পাওয়া যায়।

সুষমা, বিচিত্রা গাছ

বংশবিস্তারঃ

রাইজোমের সাহায্যে স্নেক প্ল্যান্ট বংশবৃদ্ধি করে। পরিণত গাছের গোড়ার নিচের দিক থেকে নতুন চারা বেরোয়। এরকম একটা চারা অন্তত ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি বড়ো হলে শিকড় সহ সেটাকে ছুরি দিয়ে মূল গাছের থেকে কেটে আলাদা করতে হবে। এরপর চারাটা টবের বা বাগানের মাটিতে লাগিয়ে দিলে নতুন গাছ পাওয়া যাবে। টবের মাটি বদলানোর সময় স্নেক প্ল্যান্টের চারাগুলোকে এইভাবে ছুরি দিয়ে কেটে নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে লাগানো যায়। এছাড়া পাতার কাটিং থেকেও সহজে স্নেক প্ল্যান্ট গাছের চারা তৈরি করা যায়।

বনগাঁদা বা একমেলা

স্নেক প্ল্যান্ট এর উপকারিতাঃ

এটি রাতে অক্সিজেন ছাড়ে।এই গাছ যদি ঘরে রাখেন, তাহলে ঘরে অক্সিজেনের কোনো ঘাটতি হবে না। নাসার বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা করে দেখেছেন যে, ঘরের ভিতর এই গাছ রাখলে নাইট্রোডেন ডাই অক্সাইড ও ফার্ম্যালডিহাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসকে শোষণ করে ঘরকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। এই গাছের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারী দিক হলো গাছটি প্রতিনিয়ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করতে থাকে।অর্থাৎ ঘরে এই গাছ রাখলে দিনে এবং রাতে আপনি পাবেন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ।ঘরের পরিবেশ বিশুদ্ধ করে বলে আপনার রাতের ঘুমটাও ভালো হবার পিছনে হাত আছে এই গাছ এর।তাই অনেকে একে ঘুমের সহায়কও বলে থাকে।

যাদের অ্যালার্জি হয়েছে বা যাদের ব্রিদিং ট্রাবল আছে তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভালো।


পরবর্তী খবর পড়ুন : শিয়ালমতি বা আসাম লতা