তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৩-Turna Express train schedule 2023
Turna Express train schedule

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৩-Turna Express train schedule 2023

তূর্ণা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৪১/৭৪২) হল বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি আন্তঃনগর ট্রেন যা রাজধানী ঢাকা এবং চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করে। এটি বাংলাদেশের দ্রুত ও বিলাসবহুল ট্রেনগুলোর মধ্যে একটি।

এটি রাতে চলাচল করে। তূর্ণা এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুল রেলওয়ে স্টেশান থেকে প্রতি রাতে ছেড়ে যায় এবং পর দিন ভোরবেলা চট্টগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশানে পৌঁছায়। এই ট্রেনের সংখ্যা ৭৪২। যাত্রা সময় পৌণে ৭ ঘণ্টা। প্রায় অভিন্ন সময়ে অপর প্রান্ত থেকে তূর্ণা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশান থেকে যাত্রা শুরু করে প্রত্যূষে ঢাকা শহরের কমলাপুল রেলওয়ে স্টেশানে পৌঁছায়। এই ট্রেনের সংখ্যা ৭৪১। যাত্রা সময় সাড়ে ৭ ঘণ্টা। রেলপথে যাত্রা দূরত্ব ২৪৫ কিলোমিটার বা ১৫২.২ মাইল।

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা সময়সূচী

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রতিদিন রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় রাত ১১.৩০ মিনিটে এবং চট্টগ্রামে পৌঁছেছে সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে. আবার অপরদিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় প্রতিদিন রাত ১১.০০টায় এবং ঢাকায় পৌঁছে সকাল ০৫:২৫ মিনিটে।

স্টেশন
ছাড়ায় সময়
পৌছানোর সময়
ছুটির দিন
ঢাকা টু চট্রগ্রাম
রাতঃ ১১.৩০
সকালঃ ৬.২০
নেই
চট্রগ্রাম টু ঢাকা
রাতঃ ১১.০০
সকালঃ০৫.২৫
নেই

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরাটি স্টেশন ও সময়সূচী

ঢাকা কমলাপুর থেকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি মোট সাতটি স্টেশনে বিরতি নিয়ে থাকে। আপনারা চাইলে এই সাতটি স্টেশন থেকেও টিকিট সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অথবা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ট্রেন ভ্রমণ করতে পারবেন। তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যেসকল স্টেশনে বিরতি নিয়ে থাকে সে সকল স্টেশনের নাম ও সময়সূচী নিচে দেওয়া হল।

বিরতি স্টেশন
চট্রগ্রাম থেকে (৭৪১)
ঢাকা থেকে (৭৪২)
ফেনী
রাত ০০ঃ২৯
রাত ০৪ঃ৩৫
লাকসাম
রাত ০১ঃ১৭
রাত ০৩ঃ৫১
কুমিল্লা
রাত ০১ঃ৪৫
রাত ০৩ঃ২০
আখাউড়া
রাত ০২ঃ৪০
রাত ০২ঃ১৫
বি-বাড়িয়া
রাত ০৩;০২
রাত ০১ঃ৪০
ভৈরব বাজার
রাত ০৩ঃ২৭
রাত ০১ঃ১৫
বিমান বন্দর
রাত ০৪ঃ৩৯
রাত ১১ঃ৫৭

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া তালিকা

তূর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে আপনি নতুন হয়ে থাকলে ভাড়ার তালিকা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তূর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট ক্রয়ের জন্য টিকিট কাউন্টারে গিয়ে ক্রয় করতে পারেন। অথবা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরে বসে টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। তূর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে ৪ টি আসন বিভাগ রয়েছে। একেকটি আসরের মূল্য একেক রকম। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ভাড়ার তালিকা নিচে দেয়া হল ।

আসন বিভাগ
টিকেটের মূল্য (১৫% ভ্যাট)
শোভন চেয়ার
৩৬৫ টাকা
প্রথম বার্থ
৭৫৫ টাকা
স্নিগ্ধা
৬৭৬ টাকা
এসি বার্থ
১২৪৯ টাকা

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি সংখ্যা

আজ আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করব এই ট্রেনের মোট বগি সংখ্যা এবং কি কি বগি রয়েছে-

এই ট্রেনটিতে মোট বগি রয়েছে ১৬টি।

একটি খাবার বগি রয়েছে।

একটি পাওয়ার কার বগি রয়েছে।

ট্রেনটিতে খাবারের বগির মধ্যে নামাজের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রয়েছে।

এবং ট্রেনের মাঝামাঝি জায়গায় খাবারের বগিটি রয়েছে।

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের অনলাইন টিকিট বুকিং

বর্তমানে ঘরে বসে যেকোনো ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করা যায়। এজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সুবিধার্থে ই-টিকিট ওয়েবসাইট থেকে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। অর্থাৎ আপনি খুব সহজেই এই ওয়েবসাইট থেকে যে কোন ট্রেন অনলাইন টিকিট বুকিং করতে পারবেন।

অনলাইনে টিকেট কাটার নতুন নিয়ম

ই-টিকিটিং সিস্টেমে টিকেট কেনার নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেক্ষেত্রে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। 

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

টিকিট কাটতে অবশ্যই একবার যাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সে জন্য প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

সেখানে ওয়েবসাইটটির নিচের দিকে Registration বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর Create an Account নামের নতুন একটি Page আসবে। এখানে Personal Information এর সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করে Security code ঘরের পাশে দেখানো Security Code দিয়ে পূরণ করে Register বাটনে ক্লিক করতে হবে।

সব তথ্য সঠিক থাকলে Registration Successful নামে নতুন একটি Page আসবে।

ই-টিকেটিং সিস্টেম থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আপনার দেয়া ই-মেইলে Bangladesh Railway থেকে একটি মেইল পাঠানো হবে।

Bangladesh Railway থেকে আসা মেইলটি খুলে সেখানে মেসেজে থাকা Click লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। এরপর যাত্রীর Registration সম্পন্ন হবে।

টিকিট কাটার প্রক্রিয়া

রেজিস্ট্রেশন শেষ হওয়ার পর যাত্রীরা টিকিট কাটতে পারবেন। এ জন্য তাকে প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

সেখানে থাকা Log in প্যানেলে ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড পূরণ করতে হবে।

পরে যে Page আসবে তাতে Purchase ticket বাটনে ক্লিক করতে হবে। এখানে যাত্রীকে পূরণ করতে হবে তিনি কোন তারিখের টিকিট কাটতে চান, কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশন পর্যন্ত, ট্রেনের নাম, শ্রেণি, টিকেট সংখ্যা।

পরে দেখানো হবে Registration Seat Available কি না এবং টিকিটের দাম। সেখানে সবকিছু ঠিক থাকলে Purchase ticket বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশ কার্ড কিংবা ব্রাক ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট দিয়ে টিকিটের দাম পরিশোধ করতে পারবেন যাত্রীরা। পরে যাত্রীর ই-মেইলে ই-টিকেটটি পাঠিয়ে দেবে বাংলাদেশ রেলওয়েল।

এরপর সেই টিকিট প্রিন্ট দিয়ে ফটো আইডিসহ ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন। কিংবা ই-টিকেট প্রদত্ত Ticket Print Information দিয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে যাত্রার পূর্বে ছাপানো টিকেটও সংগ্রহ করতে পারবেন।