ড্রোন কি? কিভাবে ড্রোন কাজ করে? - What is a drone? How do drones work?
What is a drone? How do drones work?

ড্রোন কি ? ড্রোন কিভাবে কাজ করে ? এর ব্যবহার, কাজ, বৈশিষ্ট্য

সামরিক অস্ত্রের দিক থেকে প্রতিটি দেশই এখন অনেক উন্নত হয়ে উঠেছে। তার মধ্যে নবতম সংযোজন ড্রোন। প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবন ড্রোন যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তবে ড্রোনের সামরিক মর্যাদা তখনই বৃদ্ধি পায় যখন সেগুলি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত থাকে।

আধুনিক সময়ে ব়ড় বড় সমস্ত যুদ্ধেই ড্রোনের ব্যবহার লক্ষ করা গিয়েছে। ড্রোন একটি মানববিহীন যুদ্ধবিমান, যা আধুনিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা সুসজ্জিত থাকে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি স্বয়ংক্রিয় ভাবে লক্ষ্যবস্তুর উপর আঘাত হানতে পারদর্শী। এমনকি ড্রোনের আঘাতে যুদ্ধের ট্যাঙ্কও নিমিষে ভেঙে গুঁড়িয়ে যেতে পারে।

ড্রোন কি বা কাকে বলে ? (What Is A Drone?)

ড্রোন (Drone) প্রধানত হল এক ধরণের উড়ন্ত রোবট। এই ধরণের রোবটকে আপনি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এমনকি, অনেক সময় এই ড্রোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেও উড়তে পারে। এই স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রগুলোর মধ্যেকার এমবেডেড সিস্টেমে থাকা সফ্টওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত ফ্লাইট প্ল্যানগুলো, এদের নিজে থেকেই কোনোরকম কোনো বাহক ছাড়াই উড়তে সাহায্য করে। এই এম্বেডেড সিস্টেমটি অনবোর্ড সেন্সর ও একটি গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (GPS)-এর সাথে মিলিত হয়ে কাজ করে থাকে। প্রথম দিকের ড্রোনগুলো বেশিরভাগই সামরিক বাহিনীর কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতো। মূলত, এই যানের সাথে ভালো-মানের ক্যামেরা ফিট করা থাকে। ড্রোন নামে পরিচিত হলেও, এর প্রকৃত নাম কিন্তু, আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল (Unmanned aerial vehicle) বা ইউ.এ.ভি।

ড্রোন শব্দের অর্থ হল গুঞ্জন,কারন যখন কোন ড্রোন উরে চলে তখন এর উরে চলার শব্দ ঠিক মৌমাছির গুন গুন করে চলার মত।আর ড্রোন এর প্রথম শর্ত হল যেকোনো ড্রোনে অবশ্যই ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন মূলত প্রথমে তৈরি করা হয়েছিল ছবি তোলার কাজে ব্যাবহার করার জন্য।কিন্তু বর্তমানে শুধু ছবি তোলার কাজেই ড্রোন ব্যাবহার হচ্ছে না।ব্যাবহার করা হচ্ছে,ছবি তোলার কাজে,কোন পণ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছানর জন্য ড্রোন ব্যাবহার করা হচ্ছে,সিনেমার শুটিং এর কাজে ড্রোন ব্যাবহার হচ্ছে,যুদ্ধে ড্রোন ব্যাবহার করা হচ্ছে।এই রকম আরও অনেক কাজেই বর্তমানে ড্রোন ব্যাবহার বেড়েই চলেছে,এখন আমরা জানবো কোন ড্রোন কিভাবে কাজ করে?

ড্রোন কিভাবে কাজ করে? (How to do work drone?)

যেকোনো ড্রোনই মূলত ইউএভি সিস্টেমে কাজ করে,ইউএভি এর পূর্ণ অর্থ হল “আনম্যানড এরিয়েল ভেহিকেল”(Unmanned Aerial Aehicle)।এর আবার দুইটি প্রকার রয়েছেঃ

১. সাধারন ইউএভি: এই সাধারণ ইউএভি গুলোতে একটি ক্যামেরা, ফ্যান এবং কিছু সেন্সর থাকে। যার মাধ্যমে ড্রোনটি সঠিক ভাবে উড়ে চলতে পারে। 

২. সামরিক ইউএভি: এই সামরিক ইউএভি গুলো স্পাই ক্যামেরা, সেন্সর, ককপিট, লেজার, জিপিএস, লাইটিং সেন্সর থাকে।

তবে সামরিক ইউএভি এর সবকিছু থাকে সামনের দিকে আর এই কারনেই এটি মূলত দীর্ঘ পথ পারি দিতে পারে। আর সামরিক ইউএভি এর জন্য অবশ্যই একটি রানওয়ে প্রয়োজন হয়। একটি ড্রোন এর মূলত দুইটি অংশ থাকে,একটি ড্রোন নিজেই আর একটি ড্রোন এর কন্ট্রোল সিস্টেম। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলার নিচে থেকে ড্রোনে নির্দেশ দেয় আর সেই নির্দেশ উপগ্রহ এর মাধ্যমে ড্রোন এর কন্ট্রোল অংশতে পৌছায় আর তখন সেই ড্রোন সেই নির্দেশ অনুসারে কাজ করে। এই সম্পূর্ণ পক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগে মাত্র দুই সেকেন্ড।

রাডার পজিশন (Radar Position):

রাডার পজিশন বলেতে এখানে বুঝান হয়েছে রাডার পাইলট কে,রাডার পাইলট সংক্রিয়ভাবে নিজের অবস্থান নিরনয় করতে পারে এবং কন্ট্রোলারকে নিজের অবস্থান সম্পর্কে জানাতে পারে।রাডার পজিশনে “কমান্ড ব্যাক টু হোম সিস্টেম” নামে একটি অপশন থাকে যার মাধ্যমে ড্রোনটি যে অবস্থানেই থাকুক না কেন অটোমেটিক তার নিজের অবস্থানে ফিরে আসতে পারে কোন রকম কন্ট্রোল ছাড়াই।তবে উল্লেখ্য যে,“কমান্ড ব্যাক টু হোম সিস্টেম” এই সিস্টেম শুধু মাত্র সামরিক ড্রোনে ব্যাবহার করা হয়।

জাইরো পজিশন সিস্টেম (Xero Positioning System):

জাইরোস্কোপ সিস্টেম এর মাধ্যমে নিজের এবং আশেপাশের সব কিছুর অবস্থান নির্ণয় করাকেই জাইরো পজিশন সিস্টেম বলা হয়।এবং এই জাইরো পজিশন সিস্টেম এর জন্যই যেকোনো ড্রোন ভালোভাবে আকাশে উরতে পারে এবং সঠিকভাবে ভুমিতে ল্যান্ডিং করতে পারে।জাইরো পজিশন সিস্টেম প্রথমে যে কাজ করে সেটি হল সর্বপ্রথম উত্তর মেরু নির্ণয় করা,এরপর এর আশেপাশে থাকা সকল ড্রোন,বিমান এবং অন্যান্য সকল বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা।এই পক্রিয়া সম্পন্ন হতে একটু বেশী সময় লাগলেও এটি একদম সঠিক অবস্থান বলে দিতে পারে।আর এই কারনেই সকল প্রকার সামরিক ড্রোনে জাইরো পজিশন সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়।

ফ্লাইজোন প্রযুক্তি (Fly Zone Technology):

আপনি কি কখনও শুনেছেন বিমানের সাথে ড্রোনের দুর্ঘটনা ঘটেছে?না হয় নি।আর দুর্ঘটনা না হবার পিছনে রয়েছে এই ফ্লাইজোনের কারসাজি।ফ্লাইজোন প্রযুক্তিতে মূলত দুই ধরনের তথ্য দেওয়া থাকে।এক,কোন ড্রোন যে এলাকায় উড়ানো হয় সেই এলাকার বিমান চলাচলের সময়সূচি সেই ড্রোনে ইনপুট দেওয়া থাকে,আর তখন সেই ড্রোন সেই এলাকায় সেই অনুসারে বিমান চলাচলের পথ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলে।আর একটি হল ফার্মওয়্যার ব্যবহার করে এওবি নির্ণয় করা।কিন্তু এই এওবি নিয়ে ড্রোন নির্মাণ সংস্থাগুলো কোঠর গোপনীয়তা অবলম্বন করে।আর এই কারনেই এওবি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ইন্টারনেটে খুঁজে পাওয়া যায় নি,আর যতটুকু পাওয়া গেছে তা আমি ক্লিয়ার বুঝতে পারিনি সুতরাং এই এওবি সিস্টেম এর কাজ এর বিস্তারিত তথ্য দিতে না পারায় আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

এফ পি ভি প্রযুক্তি (FPV Technology):

এফপিভি এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে ফাস্ট পারসন ভিউ।অর্থাৎ,যেকোনো ড্রোন প্রথম তাকেই টার্গেট করবে যাকে সর্বপ্রথম মাটিতে দেখবে।এফপিভি তে যে ক্যামেরা আছে সেই ক্যামেরা মাটিতে অবস্থানরত যেকারো সুনিদিষ্ট তথ্য দিতে সক্ষম।কিন্তু এই প্রযুক্তি বনজঙ্গল বা ঘন বসতিপূর্ন এলাকাতে সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম নয়।আর এই কারনেই বিজ্ঞানীরা এফপিভি এর বিকল্প কিছু চিন্তা করছে।

ড্রোন কবে আবিষ্কার হয়?

আজকাল আমরা ড্রোন বলতে যা বুঝি তার মূল শুরুটা হয় ১৯১৬ সালে। স্যার নিকোলাস টেসলা প্রথম এই পাইলট বিহীন এয়ারক্রাফট এর ধারণা দেন। আর তার সুত্র ধরেই প্রথম ড্রোন চালু করা হয় ১৯১৭ সালে। যা ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার করেছিল। ব্রিটেনের এই ড্রোনটি ছিল রেডিও দ্বারা পরিচালিত এবং ১৭ সালের মার্চ মাসেই তা চালু হয়। অপরদিকে আমেরিকার কেটারিং বাগ নামে ড্রোনটি প্রথম আকাশে উড়াল দেয় ১৯১৮ সালের অক্টোবর মাসে। উভয় ড্রোনই প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তাদের ক্ষমতার যথাযথ পরিচয় দেয়। এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই মাঝখানের সময়টাতে ড্রোনকে আরো বেশি কার্যকর বানানোর পিছনে কাজ চলতে থাকে।

আর এরই সুত্র ধরে ১৯৩৫ সালে ব্রিটেন রেডিও দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একাধিক ড্রোন আবিষ্কার করে। আমেরিকাও উক্ত সময়টিতে ড্রোন কার্যকর এর পিছনে কাজ করতে থাকে। তবে তাদের ড্রোন এর ব্যবহার এই সময়টিতে ছিল শুধু টার্গেট প্রাকটিস করার জন্য। আর এটাই ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ড্রোনের আবিষ্কার ও ব্যবহার।

আর এই অতি কার্যকর ড্রোনগুলোর প্রথম প্রয়োগ কোথায় হয় জানেন? এদের প্রথম ব্যবহার করা হত ভিয়েতনাম যুদ্ধে। এরপর তা আস্তে আস্তে আরো কয়েকটি যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। আর ড্রোন এর শুরুর ব্যবহারগুলা কিছুটা এমনি ছিল।

অর্থাৎ প্রথমদিকে তা শুধু সামরিক কাজেই ব্যবহৃত হতো। তবে তারপর আস্তে আস্তে এর ব্যবহারের প্রসার আরো বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে যে ড্রোন দিয়ে আমরা খেলে থাকি বা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করে থাকি তাকে মূলত হবি ড্রোন বলা হয়।

আর তা ২০১৩ সাল পর্যন্ত কারোর কল্পনাতেও আসেনি। ২০১৩ সালে অ্যামাজন যখন এটি সম্পর্কে একটি নোটিশ জারি করে তখন সবাই তা সম্পর্কে জানতে পারে ও মানুষ তা ব্যবহারে উৎসুক হয়। আর এভাবেই এখন তা নানাবিধ কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যার শত শত ব্যবহারিক আমাদের সামনে আছে।

ড্রোন ব্যবহারের সুবিধা কি কি? (Benefits of drones)

ধরুন আপনার বাড়িতে রাতে চুরি হওয়ার সম্ভবনা খুব বেশি। এখন আপনাকে প্রতিদিনই রাত জেগে তাই পাহারা দেয়া লাগছে। তবে কেউ যদি আপনার হয়ে এই কাজটি করে দিতো তাহলে অনেক উপকৃত হতেন তাই না? হ্যা, ড্রোন এই দিন রাত্রি ২৪ ঘণ্টার নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয় সামরিক ক্ষেত্রে। তবে এর ব্যবহারের বা সুবিধার এখানেই কিন্তু শেষ নয়। কেননা এর কাছে আপনি পাচ্ছেন বহুমুখী সুবিধা সমূহ। চলুন জেনে আসি–

সামরিক ক্ষেত্রে

ড্রোনের সৃষ্টি যেহেতু সামরিক প্রয়োজনকে কেন্দ্র করেই হয়েছিল, তাই এর বেশির ভাগ ব্যবহার সামরিক কেন্দ্রিক। অনেক দেশেই এই ড্রোনকে ২৪ ঘন্টা পাহারা দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেক দেশের মিলিটারিই আবার তাদের টার্গেট অনুশীলনের জন্য এই ড্রোন ব্যবহার করে থাকে।

পণ্য ডেলিভারী

হ্যা, ঠিকই শুনেছেন। ডেলিভারি এর কাজে এই ড্রোন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এর প্রচলন শুরু হয় আমাজনের হাত ধরে ২০১৩ সালে। তারা এই ড্রোনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে মালামাল বা প্রোডাক্ট পাঠানোর ব্যবস্থা চালু করে। বর্তমানে তাদের দেখেই আরো অনেকেই এই ব্যবস্থাকে আপন করে নিয়েছে।

দূর্যোগপূর্ণ স্থান থেকে মানুষকে উদ্ধার

দূর্যোগপূর্ণ স্থান থেকে মানুষকে উদ্ধারের জন্য ড্রোন হলো একটি অনন্য সমাধান। বলতে পারেন উড়োজাহাজ থাকতে ড্রোন কেন ব্যবহার করব? হ্যা, সেটাই কেন ব্যবহার করবেন। আসলে এখানে যেহেতু জীবন বাচানোর কথা বলা হচ্ছে তো সবার জীবনের মূল্যটাই আপনার কাছে বেশি হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে আমি যদি উড়জাহাজের কথা চিন্তা করি তবে তার জন্য আমাকে একজন পাইলট পাঠাতে হবে। এতে করে আপনি তার জন্যও এক হুমকি দাড় করিয়ে দিলেন। তবে আপনি যদি ড্রোন ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে কোনো মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে হবে না।

ড্রোনের বৈশিষ্ট্য:

বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ড্রোন ক্যামেরার নিজস্ব কতগুলো ফাঙ্কশন আছে, যা এই যন্ত্রগুলোকে অনন্য করে তোলে –

১. দক্ষতা

ড্রোন অনেকটাই ছোট, মজবুত ও সাধারণ যানবাহনের তুলনায় অধিক উচ্চ স্তরে উড়তে সক্ষম। যা এদেরকে সহজেই কঠিন রুটে চলাচল করতে সাহায্য করে ও কোনো রকমের কোনো ট্রাফিক জ্যামে না আটকে দ্রুত লোকেশানে পৌঁছতে পারে।

২. মনুষ্যহীন ও রিমোটের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

এই যন্ত্রটি এমন এক যন্ত্র, যেটিতে মানুষকে বাহক হিসেবে চড়তে হয় না। বরং, নয় ড্রোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে, আর নাহলে আপনাকে রিমোট বা কোনো অ্যাপ ব্যবহার করে, যেকোনো জায়গা থেকে তার যাত্রাপথকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

৩. সহজেই বহনযোগ্য

এই ড্রোনগুলো নানান ধরণের ও আকারের হয়ে থাকে। তবে, এর সব কটি মডেলই কম-বেশি হালকা, দ্রুত উড়তে সক্ষম ও সহজেই বয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।  

৪. কম ব্যয়সাপেক্ষ

কোনো প্রয়োজনে হেলিকপ্টার বা সাধারণ বাহন যা খরচা নেবে, ড্রোন তার থেকে বহু কম খরচেই আপনাকে উন্নত মানের পরিষেবা দিতে পারে। 

৫. কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

কম্পিউটারের দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পরিচালিত হওয়ায় ড্রোনগুলো সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে কাজ করতে সক্ষম। এখানে কোনো ধরণের ত্রুটির সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।