দ্রুত বীর্য পাতের চিকিৎসা

দ্রুত বীর্য পাতের চিকিৎসা

১.দ্রুত বীর্যপাত রোধে কম কোলস্টেরল ও কম চিনি সমৃদ্ধ খাবার খান। 

২.যৌন জীবনকে উপভোগ করতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান।

৩.সেক্স করার সময় উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রেখে চুমু সহ অন্যান্য আনন্দ করে তারপর সেক্স করলে দ্রুত বীর্যপাত রোধ সম্ভব।

৪.প্রাকৃতিক খাবারের মধ্যে পেয়ারা,খেজুর, কাঠ বাদাম,মধু ইত্যাদি বীর্য বাড়ায়, এগুলো নিয়মিত খাওয়া ভাল।

৫.প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক কাপ গরম দুধের সাথে ১০ টি বাদাম (পানিতে ভিজিয়ে রাখা), জাফরান, এক চিমটি আদা ও এক চিমটি এলাচ মিশিয়ে খান।

৬.যাবতীয় বদ অভ্যাস বর্জন করুন, নিয়মিত ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ দুধ, ডিম, মধু ইত্যাদি।

দ্রুত বীর্য পাতের হোমিও চিকিৎসা

১.স্যালিক্স নায়াগ্রা – মন থেকে খুব খুব স্ত্রীর সাথে আলিঙ্গন করতে চায় কিন্তু লিঙ্গ শক্ত হয় না যাদের তাদের এই ওষুধ ব্যবহারযোগ্য।

২.কোনিয়াম – স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা খুবই প্রবল কিন্তু লিঙ্গ উথ্যান হয় না। শক্ত হয় না। চুমু দেয়ার সময়ই হয়তো বীর্য বের হয়ে যায়। অথবা, লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করানো মাত্রই বীর্য বের হয়ে যায়। এরকম ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩.এসিড ফস – স্ত্রী সহবাসের কারণে মাথা ঘুরে, রাতে দুই বার বা তার অধিক বার সহবাস করলে মাথায় প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়, স্মৃতি শক্তি কম এবং লিঙ্গ শিথিল তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা যায়।

৪.লাইকোপোডিয়াম – হস্তমৈথুন করে করে অবস্থা শেষ করে ফেলেছে, জীবনকে ফানা ফানা করে ফেলেছে, স্বপ্নদোষ হতো কিংবা অত্যাধিক স্ত্রী সহবাস করার কারণে ধ্বজভঙ্গ রোগ হয়েছে। এখন আর কোন ভাবেই স্ত্রী সঙ্গমে ইচ্ছা জাগে না; জাগলেও লিঙ্গ শক্ত হয় না। এমন ক্ষেত্রে নিশ্চিন্তে এই ওষুধ ব্যবহার করা যায়।

৫.টার্নেরা – এটি হলো শুক্র বর্ধক ওষুধ। যারা শুক্র বাড়াতে চান তাদের জন্য এই ওষুধ।

শীঘ্রপতনের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা

১.শমন চিকিৎসা

শমন চিকিৎসায় রোগে আক্রান্ত দোষগুলিকে দমন করা হয়। যে পদ্ধতিতে দূষিত ‘দোষ’ বা শরীরের ভারসাম্য নষ্ট না করে পূর্বাবস্থায় ফেরে তাকে শমণ চিকিৎসা বলে। ক্ষুধার উদ্রেক ও হজমের মাধ্যমে, ব্যয়াম ও আলো হাওয়ায় শরীরকে উজ্জীবিত করে এই চিকিত্‌সা করা হয়। এতে রোগ উপশমকারী ও বেদনা নাশক ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

২.পথ্য ব্যবস্থা 

দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক ক্রিয়াকর্ম, অভ্যাস ও আবেগজনিত অবস্থা সংক্রান্ত উচিত অণুচিৎ বিষয়ে ইঙ্গিতসমূহ পথ্য ব্যবস্থার অন্তর্গত। থেরাপেটিক পরিমাপ ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে এবং প্যাথোজেনিক প্রক্রিয়াকে বাধা প্রদান করতে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের উপর নিষেধাবলী জারি করে অগ্নিকে উদ্দিপীত করা এবং খাদ্যবস্তুর ভালভাবে হজম করানোর মাধ্যমে কলাসমূহের শক্তি লাভই হল এই ব্যবস্থার লক্ষ্য।

৩.নিদান পরিবর্জন

নিদানবর্জন হল শরীর রোগগ্রস্ত হওয়ার যেসব কারণসমূহ দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় বর্তমান, সেগুলির পরিহার। যে সকল কারণে রোগগ্রস্ত শরীর আরো রোগগ্রস্ত হতে পারে, সেকারণগুলিকে পরিত্যাগ/পরিবর্তন করাও এর অন্তর্গত।

৪.সত্ববজায়

সত্ববজায় প্রধানতঃ মানসিক অসুবিধায় বেশি কাজ করে। মনকে অস্বাস্থ্যকর বস্তুর কামনা থেকে মুক্ত রাখা, সাহস, স্মৃতিশক্তি, বিদ্যা ও মনোবিজ্ঞান চর্চা অনেক বিশদভাবে আয়ুর্বেদে বর্ণিত আছে এবং মানসিক রোগের চিকিৎসার অনেক বিভিন্ন পদ্ধতির উল্লেখ আছে।

৫.রসায়ন চিকিৎসা

রসায়ন চিকিৎসা মানবদেহে শক্তি ও প্রাণশক্তি আনয়নের চিকিৎসা। শারীরিক কাঠামোর দৃঢ়তা স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধি, বুদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, যৌবনজ়্যোতি অক্ষুণ্ণ রাখা এবং শরীর ও ইন্দ্রীয় সমূহে পূর্ণমাত্রায় শক্তি সংরক্ষণ - রসায়ন চিকিত্‌সার অন্যতম উপকারিতা। অসময়ে শরীরের ক্ষয় প্রতিরোধ করা ও ব্যক্তিবিশেষের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য অর্জনে রসায়ন চিকিত্‌সা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শীঘ্রপতন বন্ধ করার ঔষধ

১.মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।

২.পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।

৩.সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি পায়।

৪.ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

৫.যৌন শক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে।

শীঘ্রপতন বন্ধ করার খাবার

১.শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখতে দুধের ভূমিকা অতুলনীয়। তবে বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। দেহের শুষ্কতা দূর করে, দ্রুত হজম হয়, রতিশক্তি সৃষ্টি করে, বীর্য সৃষ্টি করে, চেহারায় লাল আভা এনে দেয়। 

২.ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬। বি-৫ ও ৬ শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে। মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়, যৌন ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৩.কুমড়ার বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে। এই ধরনের খাবার শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরি করে। সেক্স হরমোনগুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়া উচিত। এতে শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও যৌবন দীর্ঘজীবী হয়।

৪.রসুন ফোঁড়া, প্রদহ ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে। তা ছাড়া নিস্তেজ মানুষের মধ্যে শারীরিক ক্ষমতা সৃষ্টি করে। তা ছাড়াও পুরুষদের মধ্যে বীর্যের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর গরম ভাব বীর্যের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।

৫.আঙুর, কলা, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌবন ধরে রাখতে ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী।

দ্রুত বীর্য পাতের ভেষজ চিকিৎসা

১.বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায় হল মধু। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার পর এক চা-চামচ বা তার কিছু কম খাবেন… তিন দিনের মধ্যে ফলাফল না পেলে অবশ্যই আমার পরামর্শ নিবেন।বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায়

২.তিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয়। যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। 

৩.রাতে শুবার সময় ইসুপগুলের ভুসি পানি দিয়ে খাবেন ৭ দিন খান ফলাফল নিজেই পাবেন। 

৪.বেল, যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালোভাবে বেটে তার রস আধাকাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা হ্রাস পায়। তবে একটা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বীপরীত ফল হতে পারে।

৫.শতমুলী, দেহে যৌবন আসার সাথে কু-অভ্যাসের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া কুচিন্তা এবং কুদৃশ্য ঐসব কুভাবনা চিন্তা দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস ৫০ মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে ১০০ মিলিলিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতেহবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত হতে হবার চেষ্টা করতে হবে।

৬.রামতুলসী, রামতুলসী পাতার রস ধ্বজভঙ্গের খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেরে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসে।