বিশ্ব বিখ্যাত ২০ জন-বিজ্ঞানী
বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানীর তালিকা

বিশ্ব বিখ্যাত ২০ জন বিজ্ঞানির নাম ঃ

১. স্যার আইজাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৬ ):

নিউটন ছিলেন একটি পলিম্যাট যিনি গণিত, অপটিক্স, পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের সহিত বিস্তৃত পরিসরে অনুসন্ধান করেন। 1687 সালে প্রকাশিত তাঁর প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকাতে তিনি মহাজাগতিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন, মাধ্যাকর্ষণ আইন এবং গতিবিধি ব্যাখ্যা করেন।

২. লুইস পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫): 

পাশ্চাত্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে রেবিজ, অ্যানথ্রাক্স এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগের প্রতিকারের জন্য ব্যাপক অবদান রেখেছেন। এছাড়াও দুধ নিরাপদ পানীয় করতে pasteurisation প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। 

৩. গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২):

  প্রথম আধুনিক টেলিস্কোপগুলির একটি নির্মাণ করে, গালিলিয়ো আমাদের বোঝার মধ্যে বিশ্বকে বিপ্লব করে দিয়েছিল, সফলভাবে প্রমাণ করেছে যে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে এবং অন্য কোনও পথ নয়। তাঁর কাজ দুটি নিউ সায়েন্সস গণিতবিদ্যার বিজ্ঞান এবং পদার্থের শক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

৪. মেরি কুরি (১৮৬৭-১৯৩৪) :

পোলিশ পদার্থবিজ্ঞানী এবং রসায়নবিদ আবিষ্কার করা বিকিরণ এবং এক্স-রেের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করতে সাহায্য করেছে। তিনি রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন

৫. আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) :

আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের সাথে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান বিপ্লব করেছিলেন। তিনি ফোটে ইলেকট্রিক প্রভাব আবিষ্কারের জন্য তাঁর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতে নেন (1921), যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ভিত্তি গঠন করে।

৬. চার্লস ডারউইন (১৮০৯-১৮৮২):

 ডারউইন অবিশ্বাস এবং সংশয়বাদের ব্যাকড্রপের বিরুদ্ধে বিবর্তনের তত্ত্ব গড়ে তুলেছিলেন। তিনি 20 বছর ধরে প্রমাণ সংগ্রহ করেন এবং ওনার দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ (1859) এ তার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।

৭. লিয়োনার্দো দা ভিঞ্চি (১৪৫২-১৫১৯):

অবশ্য শুধু বিজ্ঞানীই নন, তিনি ছিলেন একাধারে চিত্রকর, ভাস্কর, স্থপতি ও প্রযুক্তিবিদ। প্রায় ৭০০০ পাতার নোটবইয়ে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে তাঁর যাবতীয় ধারণা ও উদ্ভাবনের কথা রেখাচিত্র ও বর্ণনা-সহ ধারাবাহিক ভাবে বিধৃত করেছেন। কিছু নোটবইয়ের আকারেই পাওয়া গিয়েছিল, কিছু বিচ্ছিন্ন পাতাকে গ্রথিত করে ‘কোডেক্স ফরস্টার’ নামে এই নোটবইয়ের সম্ভার এখন ডিজিটাল আকারে ব্রিটিশ গ্রন্থাগারে পাওয়া যায়। এখানে চোখ রাখলে নদীর প্রবাহ থেকে চাঁদের আলো, অবতল দর্পণের প্রতিফলন থেকে পাখির ডানার গঠন ও উড়ানের রকমফের— এই রকম বহু বিচিত্র বিষয়ে তাঁর বিশ্লেষণ ও তাদের প্রয়োগ (যেমন, আকাশে ওড়ার যন্ত্র, জলের নীচে শ্বাস নেওয়ার যন্ত্র ইত্যাদি কী ভাবে তৈরি করা যায়) নিয়ে ভিঞ্চির ভাবনা জানা যাবে। 

৮. অটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮):

  হান একটি জার্মান রসায়নবিদ যিনি পারমাণবিক বিস্ফোরণ (1939) আবিষ্কার করেন। তিনি রেডিওক্যামমিস্টির ক্ষেত্রে অগ্রণী বিজ্ঞানী ছিলেন এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ এবং পারমাণবিক অস্তিত্ববাদ (1921) আবিষ্কার করেছিলেন। 1944 সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

৯. নিকোলা তেসলা (১৮৫৬-১৯৪৩):

টেসলা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম এবং এসি বর্তমান কাজ করেন। তিনি বিদ্যুৎ থেকে রেডিও ট্রান্সমিশন পর্যন্ত অনেক পেটেন্ট জমা করেছেন এবং আধুনিক বিদ্যুতের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

১০. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (১৮৩১-১৮৭৯): 

ম্যাক্সওয়েল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজমকে বোঝার জন্য চমৎকার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বিদ্যুৎ ও গণিতবিদ্যাতে তাঁর গবেষণায় কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপিত হয়। আইনস্টাইন ম্যাক্সওয়েল সম্পর্কে বলেন, “জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের কাজ সারা পৃথিবীতে পরিবর্তিত হয়েছে।”

১১. অ্যারিস্টটল অ্যারিস্টট্ল (৩৮৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ -৩২৩ খ্রিস্টপূর্ব ):

  মহান গ্রিক বিজ্ঞানী যিনি বোটানিক, জ্যোতিবিদ্যা, পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, রসায়ন, আবহাওয়াবিদ্যা এবং জ্যামিতি সহ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানগুলিতে অনেক ধরনের গবেষণা করেন।  

১২. বিজ্ঞানী রবার্ট মিলিকান (১৮৬৮-১৯৫৩):

বিশ্ববিখ্যাত তৈলবিন্দু পতনের পরীক্ষায় তিনি ইলেকট্রনের আধান (১.৬০২২ × ১০-১৯ কুলম্ব) নির্ণয় করেছিলেন। অত্যন্ত জটিল এই পরীক্ষায় সমান্তরাল ধাতব পাতের মধ্যবর্তী অঞ্চলে পতনশীল তৈলবিন্দুর গতিবিধির হিসেব রাখতে হয়েছিল। ‘ফিজ়িক্যাল রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত তাঁর গবেষণাপত্রে (১৯১৩) মিলিকান টানা দু’মাস ধরে গবেষণা চালিয়ে ৫৮টি তৈলবিন্দুর তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন, মোটের ওপর সমস্ত তৈলবিন্দুই একই রকম আচরণ করে। খুব তাড়াতাড়ি তাঁর এই কাজ নোবেল পুরস্কার পেয়ে গেল (১৯২৩)। মিলিকান মারা যাওয়ারও (১৯৫৩) অনেক দিন পর গেরাল্ড হলটন নামে এক জন পদার্থবিজ্ঞানী মিলিকানের সেই ‘রাফ খাতা’-র সন্ধান পান। দেখা গেল, ৬০ দিনের ওই দীর্ঘ পরীক্ষায় ওই ৫৮টি বিন্দুর বাইরে আরও অজস্র তৈলবিন্দুর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল, যারা সবাই মিলিকানের দেওয়া ধারণা অনুযায়ী প্রত্যাশিত আচরণ করেনি। 

১৩. ফ্রান্সিস কলিন্স ( ১৯৫০- এখনও জীবিত):

একজন অ্যামেরিকান জীনতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ডাক্তার। তিনি অনেক রোগের সাথে সংশ্লিষ্ট জীন আবিষ্কার করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের হিউম্যান জেনম প্রজেক্টের প্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Health (NIH) এর ডাইরেক্টর। উনি জিন শিকারি হিসাবে বিখ্যাত। তিনি প্রেসিডেন্ট মেডাল অব ফ্রিডম এবং ন্যাশনাল মেডাল অব সাইন্স পদক পেয়েছেন। তিনি বিজ্ঞান, চিকিৎসাশাস্ত্র ও ধর্মের উপর অনেক বই লিখেছেন। তার একটা বিখ্যাত নিউইয়র্ক টাইম বেস্ট সেলার বইয়ের নাম হোল The Language of God: A Scientist Presents Evidence of Belief। ভ্যাটিকান সিটির বিজ্ঞান একাডেমীর তিনি একজন সদস্য। তিনি ধর্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে সেতুবন্ধনে বিশ্বাসী।

স্কুলে পড়ার সময় তিনি একজন নাস্তিক ছিলেন। হাসপাতালের একজন রোগীর অনুপ্রেরনায় তিনি ধর্ম নিয়ে চিন্তা শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন ধর্ম এবং সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে পড়াশুনা শুরু করেন এবং অবশেষে খৃস্টধর্মে বিশ্বাস স্থাপন করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে মানুষ শুধু যুক্তি ও তর্ক- বিতর্কের দ্বারা ধর্মের দিকে ঝুকতে পারে না বরং তার জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস। তিনি নিজেকে একজন নিষ্ঠাবান খ্রিস্টান মনে করেন। তিনি তার বই The Language of God: A Scientist Presents Evidence of Belief বইয়ে বলেন যে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলি মানুষের জন্য প্রার্থনার সুযোগ তৈরি করে দেয়। তিনি মনে করেন যে শরীরের ডিএনএ হোল একটা নির্দেশনাপত্র অথবা একটা সফটওয়্যার যা কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত। এই বই লেখার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন যে অধিকাংশ মানুষ ধর্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে একটা সমন্বয় খোঁজে কিন্তু এই সমন্বয়ের সমর্থনে আলোচনা কম হয়। এই বইয়ে তিনি সমন্বয়ের চেষ্টা করেছেন।

১৪.  ওয়ারনার হেইজেনবার্গ ( ১৯০১- ১৯৭৬):

একজন জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী, কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় যার উল্লেখযোগ্য অবদান আছে। ১৯৩২ সালে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার উপর গুরুত্বপূর্ণ ও সফল গবেষণার জন্য পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান। হেইজেনবার্গ একজন সর্বজন স্বীকৃত এবং প্রভাবশালী বিজ্ঞানী যিনি নিউক্লিয়ার পদার্থবিদ্যা, কণা পদার্থবিদ্যা এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিউরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। কোয়ান্টাম বলবিদ্যার সূচনাপর্বে ওনার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা ছিল।

হেইজেনবার্গ একজন নিবেদিতপ্রাণ খৃস্টান ছিলেন। আলবার্ট আইনস্টাইনকে লেখা তার শেষ চিঠিতে হেইজেনবার্গ লেখেন যে “ আমরা সান্ত্বনা পেতে পারি এই কারণে যে, প্রভু ঈশ্বর সাব-এটমিক কণাগুলির অবস্থান জানেন, যার মাধ্যমে ঈশ্বর Causality Principle (যে নীতি অনুসারে প্রত্যেক ঘটনার অবশ্যই একটা কারণ আছে) এর গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবেন”।

১৫. আরনেস্ট ওয়ালটন ( ১৯০৩ – ১৯৯৫):

উনি একজন আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯৫১ সালে নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। উনি সর্ব প্রথম ‘High energy’ particle accelerator তৈরি করেন। এই আবিষ্কার আইনস্টাইনের E = mc^ সুত্রের ভর ও শক্তির সাম্যকে (Equivalence) সমর্থন করেছে। ওয়ালটন একজন নিবেদিতপ্রাণ মেথডিস্ট খৃস্টান ছিলেন।

১৬. স্যার রোনালড ফিশার (১৮৯০ – ১৯৬২):

একজন ব্রিটিশ পরিসংখ্যানবিদ, জীনতত্ত্ব গবেষক এবং শিক্ষাবিদ। ওনাকে একজন প্রতিভা হিসাবে গণ্য করা হয় যিনি বলতে গেলে একাই আধুনিক পরিসংখ্যানবিদ্যার ভিত্তি নির্মাণ করেছেন। তিনি গানিতিক মডেল ব্যবহার করে ম্যানডেলিয়ান জীনেটিক্স এবং ডারউইনের ন্যাচারাল সিলেকশনের মধ্যে সমন্বয় করেন। ফলশ্রুতিতে বিংশ শতাব্দিতে ডারউইনের বিবর্তনবাদের পুনরুজ্জীবন ঘটে এবং আধুনিক সিনথেসিসের জন্ম হয়। পপুলেশন জীনেটিক্সের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ব্রিটিশ রয়াল সোসাইটির ( বিজ্ঞান চর্চার একটি কেন্দ্র যা বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিল) সদস্য ছিলেন এবং ১৯৫২ সালে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাকে নাইট খেতাব প্রদান করেন।

তিনি একজন নিবেদিতপ্রান অ্যাংগলিকান খ্রিস্টান ছিলেন এবং চার্চের জন্য প্রবন্ধ লিখতেন।

১৭. জর্জ লেমাইত্রি (১৮৯৪- ১৯৬৬):

তিনি একজন বেলজিয়ান ক্যাথলিক ধর্মযাজক, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ এবং ক্যাথলিক ইউনিভারসিটি অফ লভেনের পদার্থবিজ্ঞানের প্রফেসর ছিলেন। ১৯২৭ সালে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সুত্র নিয়ে কাজ করতে গিয়ে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ধারণা উনিই প্রথম প্রকাশ করেন যা পরবর্তীতে এডউইন হাবল নিশ্চিত করেন। ফলে তার এবং হাবলের নামে ‘হাবল-লেমাইত্রি ল’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা মহাবিশ্ব সম্প্রসারণের কারণ ও প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। জর্জ লেমাইত্রি প্রথম বিগ ব্যাং থিউরিরও ধারণা দেন। ১৯৩৪ সালে তিনি ফ্রাঙ্কুইজ পুরস্কারে ভূষিত হন যা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বেলজিয়ামের সর্বশ্রেষ্ঠ পুরস্কার।

১৮. চার্লস হার্ড টওনেস (১৯১৫-২০১৫):

একজন অ্যামেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ও তার সহকর্মীরা ১৯৫৩ সালে Maser নামক একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার সাহায্যে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ সৃষ্টি করা যায়। ১৯৬৪ সালে তিনি যৌথভাবে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি ১৯৪৫ সালে থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ছিলেন। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রু ম্যান থেকে শুরু করে বিল ক্লিনটন পর্যন্ত সকল ইউ এস প্রেসিডেন্টের সাথে ওনার পরিচয় ছিল। চাঁদে প্রথম মানুষের পদার্পণ হয় অ্যাপলো লুনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে। উনি এই প্রোগ্রামের জন্য গঠিত রাষ্ট্রীয় কমিটির ডাইরেক্টর ছিলেন। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ব্ল্যাক হোল উনিই প্রথম আবিষ্কার করেন ।

১৯. লিস মাইটনার (১৮৭৮- ১৯৬):

লিস মাইটার ছিলেন একজন পদার্থবিদ । নিউক্লিয়ার পাওয়ার ও অস্ত্রশাস্ত্র নিয়ে তার অবদান অন্যতম । ১৯৪৪ সালে তিনি নোবেল প্রাইজ প্রত্যাখ্যান করেন ।

২০.আইরিন কিউরী-জুলিয়ট (১৮৯৭-১৯৫৬):

রসায়নবিদ আইরিন কিউরী-জুলিয়ট ছিলেন বিজ্ঞানী ম্যারি কিউরীর মেয়ে । তিনি সর্ব প্রথম আর্টিফিসিয়াল রেডিওঅ্যাক্টিভিটি বা কৃ্ত্রিম তেজস্ত্রিয়তা আবিস্কার করেন । মায়ের মত তিনিও নোবেল বিজয়ী । 


পরবর্তী খবর পড়ুন : চাকরি দেবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি