চরফ্যাসন ঘোষেরহাট লঞ্চঘাটে শাহারুখ-১ লঞ্চ স্টাফকে মারধরের অভিযোগ
প্রতীক ছবি


ভোলার চরফ্যাসনের ঘোষেরহাট লঞ্চঘাটে শাহরুখ-১ লঞ্চের ইলেকট্রেশিয়ান ছৈয়দ আহম্মেদকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ঘাট লেবার মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। রোববার  সকালে দুলারহাট থানার ঘোষেরহাট লঞ্চঘাটে  এক যাত্রীকে অবৈধভাবে লঞ্চ থেকে নামাতে গেলে ওই স্টাফ প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয়। মারধরে আহত সৈয়দ আহম্মেদকে অপর স্টাফরা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন বলে জানাগেছে।
লঞ্চ স্টাফ ছৈয়দ আহাম্মদ জানান, শাহারুখ-১ লঞ্চ শনিবার ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ঘোষেরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। গতকাল রবিবার সকালে ঘোষেরহাট লঞ্চঘাটে লঞ্চটি এসে পৌঁছলে। মহিউদ্দিন লঞ্চে উঠে ঢাকা থেকে আসা এক যাত্রীকে অবৈধভাবে নামানোর চেষ্টা করলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। তাকে বাধা দেওয়ার দেয়ায় লঞ্চ থেকে তাকে নামিয়ে ইলেকট্রেশিয়ান(সৈয়দ আহম্মদেকে) নামিয়ে ঘাটের উপরে এলোপাথারী মারধর করে গুরুতর আহত করেন। তৎক্ষনিক লঞ্চের সুপার ভাইজার নোমান এবং ঘাট কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি।
লঞ্চের সুপার ভাইজার নোমান জানান, রোববার সকালে ঘোষেরহাট লঞ্চঘাটে লঞ্চ ভিড়ার সাথে সাথেই ঘাট লেবার মহিউদ্দিন লঞ্চ থেকে অবৈধভাবে যাত্রী নামানোর সময় ইলেকট্রেশিয়ান ছৈয়দ আহাম্মেদ তাকে বাধা দেওয়ার কারনে  মারধর করা হয়। বিষয়টি লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও মালিক পক্ষকে জানানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই ঘাট লেবার মহিউদ্দিন গা-ঢাকা দেয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
যাত্রীদের অভিযোগ, মহিউদ্দিন ঢাকা ও দশমিনা থেকে আসা লঞ্চের যাত্রীদের বহন করা মালামালের ঘাটের টোল আদায়ের নামে যাত্রীদের জিম্বি করে নিয়মবহির্ভূত ভাবে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তার দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে নারী ও পুরুষ যাত্রীদের হয়রানী মারধর করে মালপত্র হাতিয়ে নেয়া অশংক অভিযোগ রয়েছে ঘাট লেবার মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। ঘাট ইজারাদার কাজল মেম্বার জানান, ঘটনাটি আমার জানা নাই তবে বিষয়টি খাতিয়ে দেখা হবে।
দুলারহাট থানার ওসি মোরাদ হোসেন জানান, মারধরের ঘটনায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত স¦াপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


পরবর্তী খবর পড়ুন : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১