চেয়ারম্যানসহ ২ মেম্বার প্রার্থীকে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দিয়েছেন রিটানিং অফিসার
প্রতীক ছবি


চরফ্যাসনের চর মানিকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদার এবং ৬নং ওয়ার্ডের প্রতি›দ্বী দুই মেম্বার প্রার্থী আপেল প্রতীকের মো. ছালাউদ্দিন ও মোরগ প্রতীকের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর তালুকদারকে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দিয়েছেন রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার  বিকেলে এই কারণ দর্শাণোর নোটিশ জারী করে নোটিশ প্রাপ্তির সাথে সাথে জবাবা দাখিল করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার সময় ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্ধী দুই প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর তালুকদার ( মোগর) এবং মো. ছালাউদ্দিন (আপেল)’র মধ্যে মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনার সাথে দুই প্রতি›দ্বী মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর ও ছালাউদ্দিন এবং বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্গনের দায়ে কেন তাদের প্রার্থীতা বাতিল করা হবে না নোটিশ প্রাপ্তির সাথে সাথে তাহার জবাব দিতে বলা হয়েছে।
চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেছার উদ্দিন  জানান, মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন মিলে মোরগ প্রীকের  প্রার্থী জাহাঙ্গীরের পক্ষে বাড়ি বাড়িতে ভোটের প্রচারে নামেন তারা। প্রচারে ব্যস্ত কর্মীরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় গেলে আপেল প্রতীকের প্রার্থী ছালাউদ্দিনের পক্ষ নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদরের ছেলে তুহিনের নেতৃত্বে একদল লোক মোরগ প্রতীকের কর্মীদের উপর হামলা করে। এসময় দুইপক্ষের কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুরে আপেল প্রতীকের প্রার্থী ছালউদ্দিনের পক্ষ নিয়ে চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদারের ছেলে তুহিনের নেতৃত্বে একদল লোক ধারালো অস্ত্র নিয়ে রশিদ খা’র বাড়ি এলাকায় নির্বাচনী প্রচার কালে  নেছার উদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করে। এই ঘটনায় দুইপক্ষের কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় এবং দুইপক্ষ আবারও  ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও আসংকা রয়েছে।  
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদার দাবী করেন, দুই মেম্বার প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।মেম্বার প্রার্থীদের নির্বাচনের সাথে তার বা তার পরিবারের কোন সদস্যের সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি দাবী করেছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটানিং অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দুই মেম্বার প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা সঠিক। এই ঘটনায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিউল্যাহ হাওলাদার এবং প্রতি›দ্বী দুই মেম্বার প্রার্থীকে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে  তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।


পরবর্তী খবর পড়ুন : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি