চরফ্যাসনের শশীভূষনে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার দোকান ঘর জবর দখলের চেষ্টা
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ঘর


চরফ্যাসনের শশীভূষণ থানা সদর বাজারে প্রায়ত মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহম্মেদের বিধবা স্ত্রী  লুৎফুন নেছার প্রায় ৩০ লাখ টাকা দামের দোকান ঘরের দখল নিতে হুমকী ধামকী দিচ্ছেন বড়ভাই নুরুল ইসলাম বাচ্চু ওরফে আদম বাচ্চু। এই ঘটনায় শশীভূষণ থানায় অভিযোগ দাখিলের পর বড় ভাইয়ের হুমকী ধামকীতে থানা পুলিশের সমঝোতার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দোকান ঘরের দখল ইস্যুতে সন্ত্রাসীদের পেশাশক্তি প্রয়োগ এবং  আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশংকা করা হচ্ছে।
প্রায়ত মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহম্মেদের বিধবা স্ত্রী লুৎফুন নেছা অভিযোগ করেন, শশীভূষণ থানা সদরের মাছ বাজারে তার প্রায়ত পিতা আলহাজ¦ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়ার  ৩০ শতাংশ রেকর্ডীয় জমি আছে। যেখানে পিতার ওয়ারিশ হিসেবে লুৎফুন নেছা ২ শতাংশ জমির মালিক। ওই জমির নামজারী সম্পন্ন করে দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগ দখলে আছেন লুৎফুন নেছা। সম্প্রতি লুৎফুন নেছার বড় ভাই আলহাজ¦ নুরুল ইসলাম বাচ্চু ওরফে আদম বাচ্চু ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে ছোটবোন লুৎফুন নেছার দখলীয় ২ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত দোকানঘর দখলের চেষ্টা করেন। এতে লুৎফুন নেছার ছেলেরা বাঁধা দেন। দু’পক্ষের  টানাপোড়েনে মধ্যে বড় ভাই নুরুল ইসলাম বাচ্চু ওরফে আদম বাচ্চু শশীভূষণ থানায় ছোটবোন লুৎফুন নেছা ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অশান্ত পরিস্থিতি এড়াতে আজ রোববার দুপুরে শশীভূষণ থানার ওসির মধ্যস্থতায় থানায় উভয়পক্ষের বসা বসিও হয়। কিন্ত বড়ভাই নুরুল ইসলাম বাচ্চু ওরফে আদম বাচ্চু ওই দোকানঘর দখলের হুমকী দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা ভন্ডুল করায় শান্তিভঙ্গের আশংকা বাড়ছে। কোটিপতি বড়ভাইয়ের জবর দখলের হুমকীতে পড়ে মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী ও তার সন্তানরা আতংকের মধ্যে আছেন।
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বাচ্চু ওরফে আদম বাচ্চু জানান, বোনের ছেলেরা আমার ভিটে জবর দখল করেছে। এনিয়ে তাদের সাথে আমার বিরোধ চলমান আছে।
শশীভূশণ থানার ওসি মো, রফিকুল ইসলাম জানান, ভাই এবং বোনের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ চলমান রয়েছে। আজ রোববার বিষয়টি নিয়ে সমোঝতার জন্য বসা হয়েছে। কিন্তু উভয় পক্ষ অনড় থাকায় বিষয়টি সমোঝতা করা যায়নি।



পরবর্তী খবর পড়ুন : চরফ্যাসনের দুলারহাটে রাতের আধাঁরে কৃষকের জমি জবর দখল করে ঘর নির্মান