চরফ্যাসনের দুলারহাটে ছিনতাইকারীর খপ্পড়ে ঢাকা ফেরত দুই শ্রমিক
প্রতীক ছবি


করোনা প্রাদূর্ভাবের কারনে লকডাউন ঘোষনার পর মালবাহী জাহাজে চড়ে ঢাকা থেকে ফিরে আসা মোঃ হিরন ও মোঃ মিরাজ নামের  দুই  শ্রমিককে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল  ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে নীলকমল ইউনিয়নের কাশেম মিয়ারহাট লঞ্চঘাটে পৌঁছলে জাহাজ থেকে নেমে আসার পর স্থানীয় ছিনতাই চক্রের মুলহোতা রিয়াজসহ তার দলবল তাদের গতিরোধ করে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। এসময়ে দুই শ্রমিক বাধা দিলে তাদের মারধর শুরু করে গুরুতর আহত করে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেন। ছিনতাইকারীদের কবল থেকে পালিয়ে পাশর্^বর্তী এক দিনমুজুরের বাড়িতে আশ্রয় নেন। ছিনতাইকারী চক্রের মারধরে আহত ২ জনকে পথচারীরা উদ্ধার করে রাতেই চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক হিরন জানান, তারা দুই ভাই ঢাকাতে শ্রমিকের কাজ করেন। করোনা প্রাদূর্ভাবের কারনে লকডাউন ঘোষনার পর মালবাহী জাহাজে চড়ে ঢাকা থেকে ফিরে আসেন। ওই  মালবাহী জাহাজটি দুলারহাট থানার কাশেম মিয়ার হাট এলাকার লঞ্চ ঘাটে পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। তারা দুই ভাই জাহাজ থেকে নেমে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় ছিনতাই চক্রের মূল হোতা নীলকমল ইউনিয়নের তাঁতীলীগের আহবায়ক রিয়াজসহ কয়েকজন তাদের গতিরোধ করে মারধর শুরু করেন। এবং সাথে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল ছিনিয়ে নেন। ছিনতাইকারী রিয়াজ গ্রæপের কবল থেকে পালিয়ে তারা প¦ার্শবর্তী দিনমুজুরের বাড়িতে আশ্রয় নেন।পথচারী ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে রাতেই চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
অভিযুক্ত নীলকমল ইউনিয়নের তাঁতীলীগের আহবায়ক রিয়াজ জানান, ওরা সহ আরো কয়েক জন কাশেম মিয়ারহাট লঞ্চ ঘাটে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষবাধে । খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেই। টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা সঠিক নয়। দুলারহাট থানার ওসি মো. মোরাদ হোসেন জানান, এঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।  



পরবর্তী খবর পড়ুন : চরফ্যাসনে পাওনা টাকা চাওয়ায় দিনমুজুরকে মারধর, বসত ঘরে হামলা