চরফ্যাসনে সৎ বোনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার-৩
প্রতিক ছবি


চরফ্যাসনে হাঁস নিয়ে দ্বন্দ্বে সৎ ভাইয়ের লোহার রডের আঘাতে বড় বোন পারুল বেগম নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিহতের স্বামী আজাদ বাদী হয়ে শ্বশুর আবুল কাশেম(৬০), শ্যালক আনোয়ার হোসেন(২২)স্ত্রীর ছোট বোন নাহিদা বেগম(১৯),শ্যালকের স্ত্রী রিনা বেগম(২০)সহ ৪ জনকে আসামী করে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। রাতেই চরফ্যাসন থানা  পুলিশ পৌরসদরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে গতকাল শনিবার দুপুরে  আদালতে সোপর্দ করেছেন। অপর আসামী আনোয়ার হোসেন ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।শুক্রবার সন্ধ্যায় চরফ্যাসন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পুর্ব খাসপাড়া এলাকায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
মামলা সুত্রে জানাযায়, আবুল কাশেম তার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় পুকুরে হাঁস নেমে পানি নষ্ট করা নিয়ে দুই পরিবারে মধ্যে তর্কবির্তক হয়। তর্কের জের ধরে সন্ধ্যায় দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় নিহতের সৎ ভাই আনোয়ার লোহার রড দিয়ে বড় বোন পারুল বেগম ও সৎ মা ছফুরাকে এলোপাথারী মারধর করে গুরুতর জখম করেন। লোহার রডের আঘাতে সৎ মা ছফুরা বেগম ও সৎ বোন পারুল বেগম গুরুতর আহত হলে প্রতিবেশিরা গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক পারুল বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মা ছফুরা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে রেফার করেন।
চরফ্যাসন থানার ওসি মো. মনির হোসেন মিয়ার জানান, পুকুরে হাঁস নেমে পানি নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে দুই স্ত্রীর পরিবারের মধ্যে সংর্ঘষে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকান্ডে জড়িত তিন জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর একজন আসামী আনোয়ার হোসেন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পলাতক আসামীকে আনোয়ারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।   


পরবর্তী খবর পড়ুন : সাংবাদিক মুজাক্কির-কে হত্যার প্রতিবাদে চরফ্যাসনে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ