মনপুরার জেলেদের জালে ৪০ কেজি ওজনের দুটি কোড়াল মাছ, বিক্রি ৪০ হাজার টাকায়
জেলেদের হাতে কোড়াল মাছ

ভোলার মনপুরার মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পরেছ বড় আকৃতির দুটি কোড়াল মাছ। যার প্রত্যেকটির ওজনের ২০ কেজি । স্থানীয় আড়তের দুটি মাছ বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকায়। অসময়ে মেঘনায় এত বড় কোড়াল মাছ জেলের জালে ধরা পড়ায় মাছ দুইটি দেখতে মৎস্য ঘাটে ভিড় জমায়  সাধারন মানুষ । অনেকে আকারের  কোড়াল মাছ নিয়ে মোবাইলে মাছের সাথে সেলফি তুলতে দেখা গেছে।
শুক্রবার ভোরে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনায় সাইফুল মাঝির জালে এই কোড়াল মাছ ধরা পড়ে। পরে  ১১ টায় কোড়াল মাছ দুটি হাজিরহাট ঘাটে নিজাম হাওলাদারের মৎস্য আড়তে প্রতি কেজি এক হাজার করে  কোড়াল মাছ দুটি ৪০ হাজার টাকায় স্থানীয় মৎস্য ঘাটের  মহিউদ্দিন ব্যাপারি ক্রয় করে নেন।
জেলে  সাইফুল মাঝি জানান, দক্ষিণ সাকুচিয়া সংলগ্ন মেঘনায় জাল ফেললে ২০ কেজি ওজনের বড় আকারের দুইটি কোড়াল মাছ ধরা পড়ে। মাছ গুলো ঘাটে নিয়ে এলে এই বিশাল আকৃতির মাছ গুলো দেখেতে উসুকজনতার ভীর জমায় মৎস্য ঘাটে। পরে মাছগুলো স্থানীয় নিজাম হাওলাদারের মৎস্য আড়তে ১ হাজার টাকা কেজি ধরে বিক্রি করা হয়। যার বাজার মুল্য ধরা হয় ৪০ হাজার টাকা।
হাজিরহাট মৎস্য আড়তের মালিক নিজাম হাওলাদার জানান, অসময়ে জেলের জালে এত বড় কোড়াল মাছ ধরা পড়া নজিরবিহীন ঘটনা। মাছ দুটি খোলাবাজারে ডাকের মাধ্যেকে ধর কষে ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বেপারী এক হাজার টাকা কেজি ধরে কোড়াল মাছ দুটি  কিনে নেয়। মহিউদ্দিন বেপারী জানান, এত বড় আকারের কোড়াল মাছ এখন আর নদীতে পাওয়া যায়না। দুই কোড়াল মাছ তিনি ১ হাজার টাকা কেজি ধরে ৪০ হাজার টাকায় কিনে নেন। এবং ঢাকার বড় বাজারে বিক্রি করে তিনি আরো লাভমান হবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল গাফার জানান, এতো বড় কোড়াল মাছ জেলেদের জালে ধরা পরা যা এখনকার সময়ের জন্য বিরল ঘটনা। মাঝে মধ্যে মেঘনায় জেলেদের জালে বড় আকৃতির ইলিশের পাশপাশি অনান্য মাছ ধরা পরে থাকে। যা জেলেরা স্থানীয় আড়তে বিক্রি করে থকেন।


পরবর্তী খবর পড়ুন : চরফ্যাসনে সৎ ভাইয়ের আঘাতে বড় বোন নিহত