উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রার্থীতা ফিরে পেল কাউন্সিলর প্রার্থী করিম মুন্সি
করিম মুন্সি


চরফ্যাসন পৌরসভার নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল করিম মুন্সির মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন উচ্চ আদালত। গত ১৭ ফেব্রæয়ারী করিম মুন্সির মনোনয়ন পত্রের বৈধতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারপতি মোঃ খসরুজ্জামান ও মোঃ এইচ এম তালুকদার যৌথবেঞ্চ তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেন। একই সাথে তাকে প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে করিম মুন্সিকে শুক্রবার পাঞ্জাবী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন অফিস সুত্রে জানাযায়,পঞ্চম ধাপে নির্বাচনে গত ৪ ফেব্রæয়ারী চরফ্যাসন পৌরসভার প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই বাচাইতে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল করিম মুন্সী হলফ নামায় মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করায় তার মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। মনোনয়ন পত্রের বৈধতা ফিরে পেতে পরদিন ৫ ফেব্রæয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে আপীল করেন তিনি। গত ১০ ফেব্রæয়ারি শুনানী শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  মাসুদ আলম সিদ্দিক রিটার্নিং অফিসারের আদেশ বহাল রেখে আপিল আবেদন খারিজ করেন। সংক্ষুদ্ধ প্রার্থী আবদুল করিম মুন্সি প্রার্থীতা ফিরে পেতে ১৭ ফেব্রæয়ারি হাইকোটে রিট আবেদন করেন। ওইদিনই শুনানি শেষে বিচারপতি মোঃ খসরুজ্জামান ও মোঃ এইচ এম তালুকদার  মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করে আদেশ দেন। এদিকে যচাই বাছাইতে আবদুল করিম মুন্সির মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষণার পর অপর প্রার্থী মিজানুর রহমান মঞ্জুকে ৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দি¦তায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে আদালতের নির্দেশে শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে আবারও ভোটের লড়াই শুরু হয়েছে ওই ২ প্রার্থীর মধ্যে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালত ৯ নং ্ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী করিম মুন্সির মনোনয়ন প্রত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন। এখন আর নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে তার কোন বাধা নাই।  পঞ্জাবী প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচনের অংশ গ্রহন করবেন।



পরবর্তী খবর পড়ুন : মনপুরার জেলেদের জালে ৪০ কেজি ওজনের দুটি কোড়াল মাছ, বিক্রি ৪০ হাজার টাকায়