আহত নারী হাজেরা


চরফ্যাসনের শশীভূষণ থানার চরকলমী ইউনিয়নে জমি নিয়ে পূর্ব  বিরোধের জের ধরে হাজেরা বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধুকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। হামলাকারীদের কবল থেকে তাকে উদ্ধার এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তার পুত্রবধু খাদিজা আকতার কাজলকে মারধর করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টার করেন। প্রতিবেশী ও স্বজনরা গুরুতর আহত গৃহবধু ও তার পুত্রবধুকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ শুক্রবার সকালে চরকলমী ইউনিয়নের চর নাংলাপাতা গ্রামে এঘটনা ঘটে।
এঘটনায় আহতের ছেলে আনিচুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে শশীভূষণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।আসামীরা হলেন, মৃতঃইউসুব আলী হাওলাদারের ছেলে মোঃএনায়েত, মোঃ শামিম,মোঃ শাকিল. মোঃ সাইফুল ও পুত্রবধু মোসাঃ পপি বেগম।   
হাসপাতলে চিকিৎসাধীন গৃহবধু জানান, প্রতিবেশী এনায়েতগংদের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলমান আছে। শুক্রবার সকালে পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে এনায়েত দলবল নিয়ে আমার স্বামীর বসত ঘর সংলগ্ন জমিতে জোরপুর্বক গাছ লাগিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালান। এসময় আমার স্বামী সন্তানরা বাড়িতে ছিলেন না। আমি বাঁধা দিলে  এনায়েত হাওলাদার, মোঃ শামিম, শাকিল. সাইফুল ও মোসাঃ পপি বেগমসহ ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র আমার ওপর আর্তকিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আমাকে উদ্ধারে
এগিয়ে এলে আমার পুত্র বধু খাদিজা আকতার(কাজল),নাতী সিহাবকে ও মারধর করে আহত করেন। এসময় হামলাকারীরা আমার পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেন। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আমাকে এবং আমার পুত্রবধুকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযুক্ত এনায়েত হাওলাদার জানান, তাদের সাথে আমার জমি নিয়ে বিরোধ আছে। আমার জমিতে আমি গাছ রোপন করতে গেলে তার বাঁধা দেয় । এ নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শশীভূষণ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


পরবর্তী খবর পড়ুন : চরফ্যাসনে ৬ দফা দাবীতে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির স্মারক লিপি প্রদান

আপনার মতামত লিখুন :