প্রতিক ছবি


চরফ্যাসনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আব্বাস(৩২) নামের দুই সন্তানের জনকের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ভিক্টিমের চিৎকারে স্থানীয় প্রতিবেশীরা অভিযুক্ত আব্বাসকে ভিক্টিমের বাড়ির বসত ঘর থেকে  আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।   এঘটনায় রোববার ভিক্টিম কলেজ ছাত্রী বাদী হয়ে ধর্ষক আব্বাসকে আসামী করে শশীভূষণ থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষক আব্বাসকে আটকের পর মামলা দায়ের শেষে  বিকালে আদালতে সোপর্দ করেছেন। শনিবার রাতে এওয়াজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম এওয়াজপুর গ্রামে ভিক্টিমের বসত ঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষক আব্বাস দুলারহাট থানার  নুরাবাদ ইউনিয়নের চরতোফাজ্জল গ্রামের মৃতঃ জামাল মিয়ার ছেলে।  
ভিক্টিম এজাহারে দাবী করেন,ধর্ষক আব্বাস চরফ্যাসন সদরের মেঘনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মী। তার মাকে ডাক্তার দেখানো সুবাধে তার সাথে ভিক্টিমের পরিচয় হয়। এর সুত্রে ধরে তাদের মধ্যে প্রেম সম্পর্ক গড়ে উঠে। অভিযুক্ত আব্বাস তার বৈবাহিক জীবন ও দুই সন্তানের কথা গোপন রেখে ৯ মাস যাবত তার সাথে প্রেম করে আসছিলেন। ধর্ষক আব্বাস রাতের আধারে গোপনে তার সাথে দেখা করতে বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো।  
ঘটনার রাতে তার মা বাড়িতে ছিলেন না। বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ছিলেন। রাতে ধর্ষক আব্বাস তার বাড়িতে আসেন। এবং তাকে বিয়ের প্রতিশ্রæতি দিয়ে শারিরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। ভিক্টিম তার প্রস্তাবে রাজি হননি। এসময় আব্বাস তাকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে ধর্ষককে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেন। শশীভূষণ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান,এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ভিক্টিম কলেজ ছাত্রীকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে।


পরবর্তী খবর পড়ুন : চরফ্যাসনে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ১৪ আসামীর যাবজ্জীবন সাজা

আপনার মতামত লিখুন :