সোলায়মান সুখন
সোলায়মান সুখন

সোলায়মান সুখন

পুরো নাম খন্দকার মোহাম্মদ সোলায়মান। তবে তিনি সোলায়মান সুখন নামেই বেশি পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের জীবনসংগ্রামের গল্প শোনান নতুনদের। অনুপ্রেরণা জোগান দেন। বিভিন্ন মঞ্চে কথা বলেন দেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়েও।

জন্মঃ

১৯৮০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি যশোর সেনানিবাসে জন্ম সুখনের। বাবা আবদুল ওয়াদুদ সাবেক সেনা সদস্য আর মা সামসুন নাহার খন্দকার ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।সোলায়মান সুখন মুলত একজন কমেডিয়ান।

শিক্ষাঃ

১৯৯৫ সালে এসএসসি পাস করেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত হন। এরপর চাকরি ছেড়ে বন্ধুর পরামর্শে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে। ২০০৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনঃ

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে ২০০০ সালে নৌ কর্মকর্তা হিসেবে কমিশন লাভ করেন। যুদ্ধ জাহাজে টহল দেয়ার দিনগুলোতে নিয়মিত দিনপঞ্জিকা লিখতেন যা এখনো সযত্নে রেখে দিয়েছেন। ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। আইবিএ শেষ করে করপোরেট কম্পানিতে চাকরি নিয়েছিলেন। ফেসবুকে সক্রিয় হন ২০০৮ সালে।  প্রথম দিকে  ফানি সব ভিডিও আপলোড দিতেন। খেয়াল করলেন, সাড়া পাচ্ছেন। তারপর নতুন মোবাইল ফোন সেট বা নতুন কোনো ডিভাইসের রিভিউ লিখেছেন। একসময় মনে হলো, চলতি ঘটনার ওপর আলোকপাত করবেন। ওই সময় অনেকেই অনন্ত জলিলকে নিয়ে হাসি-মশকারা করত। তিনি তখন জলিলের পক্ষে কয়েক দফায় লিখলেন। লেখাগুলো ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছিল। বলতে গেলে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। একবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেটিও আলোচিত হয়েছিল। সুখন ইউটিউবে চ্যানেল খোলেন ২০০৯ সালে। সেখানে তিনি অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যগুলো ভিডিও করে প্রকাশ করেন। দুই কোটি মিনিট দেখা হয়েছে সুখনের ভিডিওচিত্র। সুখন এখন পর্যন্ত ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়-সেমিনারে বক্তব্য রেখেছেন। বলছিলেন, ‘আমি কোনো সুদর্শন ব্যক্তি নই, তারকাও নই, তবুও মানুষ আমার কথা শোনে। অবাক ব্যাপারই বটে। 

ভবিষ্যতে সুখনঃ

সুখন বিশ্বাস করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই এ মাধ্যমটি ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে নিজের ভাবনা ছড়িয়ে দিতে চান। ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দ হয়ে পৃথিবীর সব দেশের মানুষের কাছে নিজের ভাবনা তুলে ধরতে চান। বলছিলেন, আমি কখনো স্বপ্ন দেখে বসে থাকি না।  স্বপ্ন যতক্ষণ না পূরণ হচ্ছে, ততক্ষণ তার পেছনে লেগে থাকি।

বইসমূহঃ

মস্তিষ্কের ক্যানভাস

সমুদ্র থেকে সমতলে